Skip to main content

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? চলুন জেনে নিই।


ফ্রিল্যান্সিংয়ের ভবিষ্যৎ কি? এই ব্যাপারগুলি নিয়েই আজকে আমাদের আর্টিকেল হতে চলেছে যার কারণ আজ আমি এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি! যে বিষয়টি জেনে আপনিও ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন খুবই সহজেই। সেই সঙ্গে জানতে পারবেন আপনার অনেক দিনের জমে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর।

ফ্রিল্যান্সিং মূলত এমন একটি পেশা-

যেখানে আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
এটি সাধারণ চাকরি বা চুক্তিভিত্তিক কাজের মতই, কিন্তু ভিন্নতা হল এখানে আপনি আপনার স্বাধীন মত যে কোন জায়গায় বসে কাজ করতে পারবেন।
আর আপনারা ইতিমধ্যেই জানেন দিন দিন ফ্রিল্যান্সারের চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে তাই এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো- ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? এবং এর সাথে আনুষঙ্গিক সবকিছু।

কিভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং?


এটি মূলত কমবেশি সকলের প্রশ্ন যে কিভাবে শুরু করব ফ্রিল্যান্সিং! তো এর উত্তর হলো: এই সেক্টরে ঢুকতে হলে আপনাকে যে কোন একটা বিষয়ের উপর স্কিল ডেভেলপ করতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনার যে কাজে আগ্রহ সবচাইতে বেশি সেই কাজটি বেছে নিবেন এর ফলে আপনি কাজ করে যেমন স্বাচ্ছন্দ বোধ করবেন! ঠিক তেমনি অনেক দূর গিয়ে আপনার কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন ইনশাল্লাহ।

যেমন ধরুন-

আপনি ভালো আর্ট জানেন।
আপনার আঁকা আঁকি করতে অনেক ভালো লাগে।
তাহলে আপনি নির্দ্বিধায় গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ শিখতে পারেন!

অথবা-

আপনি অংকে খুবই ভালো তাহলে আপনি প্রোগ্রামিং শিখতে পারেন

অনেকেরই প্রশ্ন থাকে আমার আসলে কি শেখা উচিত?

এর উত্তর হল: এগুলো আপনি নিজে নিজেই গুগলে বা ইউটিউব রিসোর্স খুঁজে সেখান থেকে দেখে দেখে শিখতে পারেন! আবার চাইলে বিভিন্ন কোর্স আছে অনলাইনে সেগুলো করতে পারেন পুরোটাই আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল।

কাজ শেখার পর কোথায় কাজ পাব?


কাজ করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে একাউন্ট খুলতে হবে! এরকম অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে বর্তমানে যেমন-
Fivrr
Freelancer.com
Upwork

তো এই সকল প্লাটফর্মে একাউন্ট খোলার পর অ্যাকাউন্টটি সুন্দরভাবে সাজাতে হবে- দোকানে যেমন বিভিন্ন পণ্য সাজানো থাকে ঠিক তেমনি করেই আপনার করা কাজগুলো পোর্টফোলিও আকার সাজিয়ে রাখতে হবে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে।

এরপর শুধু প্রথম কাজের অপেক্ষা, আসলে প্রত্যেক কাজের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপটা একটু কষ্টকর হয়ে থাকে! ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি কিন্তু ভিন্ন নয়। এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরেও প্রথম কাজটা পেতে অনেকটাই কষ্টসাধ্য।

তবে কারোর রেফারেন্সের মাধ্যমে কাজ পাওয়া অনেকটাই সহজ এই প্ল্যাটফর্ম গুলোতে! এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার এলাকার পরিচিত কোন ফ্রিল্যান্সারের হেল্প নিতে পারেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কেমন?


আর এর উত্তর হলো: ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ এক কথায় খুবই উজ্জ্বল, এবং এর সম্ভাবনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আমাদের দেশের আইসিটি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ফ্রিল্যান্সিং এর সংখ্যা ৬ লক্ষ্য ৫০ হাজার এরও বেশি।

চলুন দেখে আসি বিশ্বের অন্যান্য দেশের অবস্থা-

৫৯ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার আছে যুক্তরাষ্ট্রে।
১৫ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার আছে ভারতে।
২.৭ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার আছে কানাডায়।
২.২ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার আছে যুক্তরাজ্যে।
২২ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার আছে ইউরোপে।

আর এই গুলো দেখার পরই এটা বুঝতে একদম ইজি যে ফ্রিল্যান্সারের ভবিষ্যৎ অনেকটাই ভালো! অনেকে বলতে পারেন তাহলে মার্কেটপ্লেসের অবস্থা দিন দিন কেন খারাপ হচ্ছে?

এর উত্তর হচ্ছে: বিভিন্ন বাধ্য বাধ্যকতার কারণে মার্কেটপ্লেস থেকে বের হয়ে বাইরে এরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাচ্ছে। তারা সরাসরি ফ্রিল্যান্সারের কাছে অথবা কোন এজেন্সির কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন।

আর এর ফলে মার্কেটপ্লেসের বায়ার দিন দিন কমছে, আর নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরিতে ফ্রিল্যান্সারের পরিমাণ অনেক বেশি বেড়ে গেছে এর ফলে প্রতিযোগিতা বা কম্পিটিশন দিন দিন বাড়ছে।

আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সারের দিকে যদি তাকাই তবে দেখব নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরিতে আমরা বেশি কাজ করে থাকি, অথচ এইসব ক্যাটাগরির বাইরে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিশাল একটা জগত পড়ে আছে সেদিকেও নজর দেয়া উচিত।


৩৬ ডলারসহ একটি পিন ভেরিফাইড এডসেন্স একাউন্ট এবং গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুয়াল ওয়েবসাইট সেল হবে মাত্র ১৫ হাজার টাকায় আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুত কল করুন 01746742991

The post ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি? চলুন জেনে নিই। appeared first on Trickbd.com.



source https://trickbd.com/freelancing/858243

Comments

Popular posts from this blog

আবারো ফেইসবুকে নিন আনলিমিটেড ফলোয়ার

আসসালামু আলাইকুম। সবাই আমার সালাম নিবেন। আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। তো বন্ধুরা আমি আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি এমন একটি এপ যার মাধ্যম আপনারা আপনার আইডিতে যত চান ফলোয়ার বাড়াতে পারবেন। তো শুরু করা যাক…. ফেসবুক হচ্ছে বিশ্বের সর্ব বৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েবসাইট। ইন্টারনেট ব্যবহার করে অথচ তার ফেসবুক একাউন্ট নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আমরা কম বেশি সবাই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকি। আর সবাই চেষ্টা করি আমাদের ভার্চুয়াল লাইফটাকে সবার থেকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে। আর তার জন্য কতো কিছুই না করি! কিভাবে ফ্যান, ফলোয়ার বাড়ানো যায় কিংবা নিজের ফেসবুক প্রফাইলটাকেও চেষ্টা করি একটু ভিন্ন রূপে সাজাতে। আপনি অবশ্যই ফেসবুক অটো ফলোয়ারের কথা শুনেছেন! আর এই সামান্য কিছু ফেসবুক অটো লাইক, ফেসবুক অটো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট, ফেসবুকে অটো কমেন্ট, ফেসবুক পেজে অটো লাইক কিংবা অটো ফলোয়ার নিতে অনেকেই আবার নিজের স্বাধের ফেসবুক আইডিটি তুলে দেয় থার্ড পার্টি কোনো ওয়েবসাইটের হাতে। তবে আজকে আমি আপনাদের কে শিখাবো কিভাবে আপনার ফেসবুকে প্রফাইলে আনলিমিটেড ফলোয়ার নিবেন। তবে এটা কোনো অনিরাপদ উপ...

২০ টি দারুন Android Customization Tips, Tricks & Hacks!

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করছি মহান আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালোই আছেন। Android Tips & Tricks নিয়ে তেমন পোস্ট করা হয়নি আমার দ্বারা। তাই ভাবলাম এটা নিয়ে একটি পোস্ট করেই ফেলি। আজ থেকে কয়েক বছর আগেও Trickbd থেকে শুরু করে YouTube, Facebook সব জায়গাতেই Android User রা প্রচুর Customization, Tricks ব্যবহার করতো। কিন্তু এখন আর এগুলো করতে খুব একটা দেখা যায়না। কারন এখন Android এ অনেক ভালো ভালো Feature দেওয়াই থাকে। তবুও এমন অনেক ফিচারই রয়েছে যেগুলো Hidden থাকে, নয়তোবা অনেকেই এগুলো সম্পর্কে জানে না। এমনই ২০ টি android customization tips & tricks নিয়ে হাজির হলাম। বিশেষ করে যারা জানেন না তাদের জন্যেই পোস্টটি করা। আর যারা জানেন তারা Ignore করেন। আমার কোনো সমস্যা নেই। আমরা সবাই জানি Android এ ব্যবহার করার জন্য প্রচুর Tricks আছে। সেটা যে কারনেই ব্যবহার করা হোক না কেন। Android এ যেসব Features আছে তা নিয়ে নিয়ে বই লেখা যাবে তবুও শেষ করা যাবে না। ইউটিউবে এ নিয়ে প্রচুর ভিডিও আছে। এই পোস্টে যা আপনার এন্ড্রয়েড ব্যবহার করার স্বাদ আরো বাড়িয়ে দিবে। আমি জানি এই মুহূর্তে যার...

Google account এ ক্রেডিট কার্ড add করে নিয়ে নিন এক মাসের YouTube Premium

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভালো আছেন। বেশি কথা বলে চলুন শুরু করা যাক। প্রথমে ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে জেনে নেই। ক্রেডিট কার্ড হল একটি বিশেষ ধরনের পরিশোধ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত প্লাস্টিক কার্ড, যা ওই পরিশোধ ব্যবস্থার ব্যবহারকারীদেরকে ইস্যু করা হয়। এই ট্রিকটি ব্যাবহার করার জন্য আপনাকে কার্ডের তিনটি জিনিস জানতে হবে। ১.কার্ডের নাম্বার ২. এক্সপাইরি ডেট ৩. সিকিউরিটি নাম্বার তাহলে শুরু করা যাক : ১. প্রথমে ক্রেডিট কার্ড জেনারেট করব। ক্রেডিট কার্ড জেনারেট করার বিন জানা জরুরি। এখানে আমি YouTube premium নেওয়ার জন্য বিন দিলাম। BIN YOUTUBE | BIN: 511114211037xxxx | FECHA: 05/25 | CVV: rnd | IP: INDIA ২.বিন পাবার পর ক্রেডিট কার্ড জেনারেট করা জন্য আমরা https://namso-gen.com/ যাব।সেখানে উপরের খালি বক্সে বিন বসাব, এক্সপাইরি ডেট বসাব, তারপর জেনারেট এ ক্লিক করব। (এখানে Quantity আপনার ইচ্ছে মত বসাতে পারেন।) এরপর সব কপি করে নিবেন। ৩. এরপর https://ift.tt/2VEQvZR এ যাবেন। সেখানে খালি বক্সে কপি করা কার্ড গুলো পেষ্ট করে স্টার্ট এ ক্লিক করবেন। সেখানে লাইভ,ডেড, আননউন ভাবে আলাদা...